ইউক্রেন তহবিলে ৩ দিনেই ৫ কোটি ডলার সংগ্রহ এপিকের
ফোর্টনাইটের নতুন সিজন শুরু হয়েছে ২১ মার্চ। নতুন সিজনের প্রথম দুই সপ্তাহের আয়ের পুরোটাই ইউক্রেইনের ত্রাণ তহবিলে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল এপিক গেমস। এজন্য ৩ এপ্রিল পর্যন্ত দুই সপ্তাহে সাবস্ক্রিপশন প্যাকেজ, উপহার হিসেবে দেওয়া ‘ব্যাটল পাস’ এবং কিছু কসমেটিক প্যাকসহ গাঁটের পয়সা খরচ করে গেমাররা যাই কিনুন না কেন, সে আয়ের পুরোটাই ইউক্রেইনে পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি।
এই ঘোষণার তিন দিনের মধ্যেই ৫ কোটি ডলারের ত্রাণ তহবিল সংগ্রহ করেছে ভিডিও গেম নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি।
এই খবর দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি বলেছে, গেমের আয় থেকে যে অর্থ ইউক্রেইনে যাচ্ছে তার আকার অনেক দেশের পুরো অনুদানের চেয়েও বড়। আর ত্রাণ তহবিলে জমা হওয়া অর্থ “যতো দ্রুত সম্ভব” ইউক্রেনে পাঠানোর কথা বলেছে এপিক।
এপিক বলেছে, “অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম আর পেমেন্ট পার্টনারের কাছ থেকে টাকা আসার অপেক্ষা করছি না আমরা। লেনদেন প্রক্রিয়া কীভাবে হচ্ছে, তার ভিত্তিতে বাড়তি সময় লাগতে পারে। লেনদেন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা সেটা লগে লিখে ফেলছি এবং কয়েক দিনের মধ্যেই ত্রাণ সংস্থাগুলোর কাছে অর্থ তহবিল পাঠিয়ে দিচ্ছি।”
শুধু এপিক গেমস নয়, ইউক্রেইনে মানবিক সহযোগিতা দিতে তৎপর হয়েছে গেমিং খাতের বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। নিজস্ব প্ল্যাটফর্মে ফোর্টনাইটে গেমাররা কোনো কিছু কিনলে তার একটা অংশ ফি হিসেবে কেটে রাখতো মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন এক্সবক্স। সেই ফি থেকে পাওয়া আয়ও ইউক্রেইনের ত্রাণ তহবিলে দিচ্ছে এক্সবক্স।
মাসের শুরুতে ‘বান্ডল ফর ইউক্রেন’ নামের গেম প্যাকেজ বিক্রি করে ৬০ লাখ ডলার তহবিল তুলেছিল গেম বিপণনের সাইট ইচ ডটআইও।
এছাড়াও ইউক্রেনের জন্য আর্থিক সংযোগিতা জোগাড় করতে ১২০টি গেমের প্যাকেজ ৩১ পাউন্ড দামে বিক্রি করছে ‘হাম্বল বান্ডল’। অন্যান্য সময়ে ওই একই প্যাকেজের দাম হতো এক হাজার ৮০০ পাউন্ড। ইতোমধ্যেই এক কোটি ৩২ লাখ ডলারের ত্রাণ তহবিল সংগ্রহ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।